মহাজনটুলির বেশ্যা সন্ধ্যায়। উঠে আসে বর্ধমান নগরের সংস্কৃতি
পল ভালেরি
তেমনই অভিবাসীর দৃষ্টিভঙ্গিতে আমাদের দেশকে নতুন করে চেনায়। সুদীর্ঘকাল বিদেশে থাকার ফলে অর্ভিন ঘোষ যে দেশকে নতুন করে আবিষ্কার করার সুযোগ পেলেন তার পুরোপুরি সদ্ব্যবহার করেছেন এই গ্রন্থে। সুদীর্ঘকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী হিসেবে থাকার ফলে যখনই তিনি সুযোগ পেয়েছেন তখনই আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের জীবনযাত্রার সঙ্গে ভারতের জীবনযাত্রার তুলনা করেছেন। ফলে দুই দেশের সমাজজীবনের যে চিত্র ফুটে উঠেছে তা যেমন হৃদয়স্পর্শা তেমনই জ্ঞানপূর্ণ। এই গ্রন্থে অর্ভিন ঘোষ শুধুমাত্র ভারতের বিভিন্ন রাজ্যই দেখেননি
তার আজন্মের সাথিরা কখনও চেনা। কখনও আবার ভয়ংকর অচেনা
এই বইটি শুধু গিরিশচন্দ্রের জীবনচরিত নয় এর সঙ্গে জড়িয়ে কাছে উত্তর কলকাতার একখন্ড ইতিবৃত্ত। উত্তর কলকাতার সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ ছিল লক্ষ্মীনিবাস। কিরণচন্দ্র দত্ত লক্ষ্মীনিবাসের বাসিন্দা। পিতা লক্ষ্মীনারায়ণ দত্ত। স্কুলে যাওয়ার পথে বলরাম বসুর বাড়ির বারান্দায় রামকৃষ্ণদেবকে পায়চারি করতে দেখেন বালক কিরণ। কিরণচন্দ্র সারদাদেবীর মন্ত্র শিষ্য। তাঁর বাড়িতে সারদাদেবীর পদার্পণ ঘটেছে। বারেবারে এসেছেন রামকৃষ্ণ মাঠ মিশনের সন্ন্যাসীরা। তাঁদের জন্য ছিল অবারিত দ্বার। কিরণচন্দ্র দত্তের পিতৃবন্ধু ও প্রতিবেশী ছিলেন গিরিশচন্দ্র। তাঁর বাল্যজীবন
অদিতি, আমি এখানে Gandhir Aatotayee O Ananyo Golpo মহাজনটুলির বেশ্যা সন্ধ্যায়। উঠে আসেAditi, Ami Ekhane : : , ', , ' , , , ? , ? , ? ? ? ? ? , ? : 22 (h) x 14. 2 (W) x 1. 7 (d)